আশা জাগানিয়া স্ট্রবেরি
বাগমারার সফল চাষি পুলক: খরচ ৮ লাখ টাকা, আয়
হবে ২০ লাখ
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার
শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের শংকরপৈ গ্রামের বিমল সরকারের ছেলে পুলক সরকার (৪০) স্ট্রবেরি
চাষ করে নিজের ভাগ্যের পরিবর্তন করলেন। স্ট্রবেরি খুব সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফল
হওয়ার কারণে বর্তমানে আমাদের দেশে এই ফলের ব্যাপক চাহিদা। সম্প্রতি পুলকের
স্ট্রবেরি ক্ষেতে গিয়ে তার সাফল্যের কথা জানতে চাইলে পুলক জানান, রাজশাহীর বাঘা
চারঘাটে আমার কয়েকজন বন্ধু আছে তারা এই স্ট্রবেরি চাষ করে। স্ট্রবেরি চাষ করে তারা
অনেক লাভবান হয়েছে। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী গত বছর চৈত্র মাসে ৫০ টাকা মূল্যে ৩১০
টি মা চারা রোপণ করি। এতে আমার ৭০ হাজার টাকা খরচ হয়। সেই চারা থেকে আমি নতুন
ভাবে চারা উত্পাদন করি এবং ৬০ হাজার টাকার চারা বিক্রয় করি। এ বছর আমি আমার জমির
পাশাপাশি অন্যের জমি লিজ নিয়ে মোট সোয়া ৫ বিঘা জমিতে ২৪ হাজার স্ট্রবেরির চারা
লাগিয়েছি।
তিনি জানান, সোয়া ৫ বিঘাতে স্ট্রবেরি চাষ করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমানে আমার বড় ভাই অলক কুমার সরকার (৪৫) স্ট্রবেরি চাষ শুরু করেছে। তিনি ৪০ শতক জমিতে ৬ হাজার স্ট্রবেরি চারা বানিয়েছেন। পুলক আরো জানায়, তিনি চলতি বছরে ১৬ হাজার চারা বিক্রয় করেছে। গত ২ সপ্তাহ হতে ক্ষেত থেকে স্ট্রবেরি তোলা শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে ১১৪ কেজি স্ট্রবেরি ফল উঠেছে এবং বর্তমানে প্রতিদিন ১৫০ কেজি স্ট্রবেরি ফল উঠছে- যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এভাবে দুই সপ্তাহে প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকার স্ট্রবেরি ফল বিক্রয় হয়েছে। তার মতে, এভাবে স্ট্রবেরি ফল উঠানো শেষ হওয়া পর্যন্ত প্রায় ৮ লক্ষ টাকার মত খরচ হতে পারে আর এই স্ট্রবেরি বিক্রয় করে ২০ লক্ষাধিক টাকার বেশি আয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে ২শত টাকা কেজি দরে বিক্রয় হচ্ছে স্ট্রবেরি। প্রচুর স্ট্রবেরি উঠলেও এ অঞ্চলে এর কোন পাইকারি বাজার বা পাইকার না থাকায় তাকে প্রতিদিন ঢাকা শহরে স্ট্রবেরি সরবরাহ করতে হয়। পুলক জানান, এভাবে তার ক্ষেত থেকে আরও দুই মাস স্ট্রবেরি উত্তোলন করা যাবে। এছাড়াও প্রতিদিন চলছে স্ট্রবেরির চারা বিক্রয়।
পুলকের স্ট্রবেরি ক্ষেতে এখন কাজ করছে অনেক বেকার যুবক। তারাও পুলকের কাছ থেকে উত্সাহ পাচ্ছে। পুলকের মতে, বাংলাদেশের আবহাওয়া অনুকূল থাকায় স্ট্রবেরি চাষের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। বেশি বেশি স্ট্রবেরি চাষ করে তা বিদেশে রপ্তানি করে আমরা অর্জন করতে পারি অনেক বৈদেশিক মুদ্রা। যা আমাদের দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে তুলতে পারে এবং বেকার সমস্যা নিরসনে এটি হতে পারে একটি মডেল প্রকল্প।
তিনি জানান, সোয়া ৫ বিঘাতে স্ট্রবেরি চাষ করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমানে আমার বড় ভাই অলক কুমার সরকার (৪৫) স্ট্রবেরি চাষ শুরু করেছে। তিনি ৪০ শতক জমিতে ৬ হাজার স্ট্রবেরি চারা বানিয়েছেন। পুলক আরো জানায়, তিনি চলতি বছরে ১৬ হাজার চারা বিক্রয় করেছে। গত ২ সপ্তাহ হতে ক্ষেত থেকে স্ট্রবেরি তোলা শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে ১১৪ কেজি স্ট্রবেরি ফল উঠেছে এবং বর্তমানে প্রতিদিন ১৫০ কেজি স্ট্রবেরি ফল উঠছে- যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এভাবে দুই সপ্তাহে প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকার স্ট্রবেরি ফল বিক্রয় হয়েছে। তার মতে, এভাবে স্ট্রবেরি ফল উঠানো শেষ হওয়া পর্যন্ত প্রায় ৮ লক্ষ টাকার মত খরচ হতে পারে আর এই স্ট্রবেরি বিক্রয় করে ২০ লক্ষাধিক টাকার বেশি আয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে ২শত টাকা কেজি দরে বিক্রয় হচ্ছে স্ট্রবেরি। প্রচুর স্ট্রবেরি উঠলেও এ অঞ্চলে এর কোন পাইকারি বাজার বা পাইকার না থাকায় তাকে প্রতিদিন ঢাকা শহরে স্ট্রবেরি সরবরাহ করতে হয়। পুলক জানান, এভাবে তার ক্ষেত থেকে আরও দুই মাস স্ট্রবেরি উত্তোলন করা যাবে। এছাড়াও প্রতিদিন চলছে স্ট্রবেরির চারা বিক্রয়।
পুলকের স্ট্রবেরি ক্ষেতে এখন কাজ করছে অনেক বেকার যুবক। তারাও পুলকের কাছ থেকে উত্সাহ পাচ্ছে। পুলকের মতে, বাংলাদেশের আবহাওয়া অনুকূল থাকায় স্ট্রবেরি চাষের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। বেশি বেশি স্ট্রবেরি চাষ করে তা বিদেশে রপ্তানি করে আমরা অর্জন করতে পারি অনেক বৈদেশিক মুদ্রা। যা আমাদের দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে তুলতে পারে এবং বেকার সমস্যা নিরসনে এটি হতে পারে একটি মডেল প্রকল্প।
মাহফুজুর রহমান প্রিন্স, বাগমারা (রাজশাহী)
সংবাদদাতা , daily Ittefak







0 comments:
Post a Comment