রাজশাহীতে কুয়াশাচিন্তিত আম চাষিরা
ফাল্গুনের
শেষের তিনদিন এবং গতকাল শুক্রবার চৈত্রের প্রথমদিন রাজশাহীতে অসময়ে ঘন কুয়াশার
দেখা মিলেছে। শেষ রাত থেকে বেলা ৯টা পর্যন্ত দৃশ্যমান থাকছে কুয়াশা। আবহাওয়া
অফিসের সংশ্লিষ্টরা অবশ্য এটিকে কুয়াশা বলছেন না। উত্তর বঙ্গোপসাগর থেকে
জলীয়-বাষ্পের প্রভাবে ধোঁয়ার মত পরিস্থিতির সৃষ্টিকে আবহাওয়া বিজ্ঞানের ভাষায়
'হেজ' বলা হয়। এই পরিস্থিতি আরো কয়েকদিন থাকতে পারে। তবে বৃষ্টি হলেই 'হেজ' কেটে
যাবে।
এদিকে প্রতিকূল আবহাওয়ায় ক্ষতির আশঙ্কায় চিন্তিত হয়ে পড়েছেন বৃহত্তর রাজশাহীর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ ও নাটোর) আম চাষিরা। এবার রাজশাহীর প্রায় সাড়ে ৯ হাজার হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
আম উত্পাদনের বাত্সরিক হিসাব অনুযায়ী এবার 'অন ইয়ার (বেশি উত্পাদনের বছর)'। ফলে নতুন-পুরাতন বেশিরভাগ আম গাছে মুকুল এসেছে। কিন্তু আবহাওয়া প্রতিকূল হলে গাছের মুকুল থাকবে না? প্রসঙ্গত, গত বছর প্রতিকূল আবহাওয়ায় (অনাবৃষ্টি ও অত্যধিক খরা) অধিকাংশ গাছের মুকুল ঝরে পড়ে। এরপরও যা অবশিষ্ট ছিল তার বেশিরভাগ নষ্ট হয় 'হপার পোকা'র আক্রমণে। এরপর আসে 'ডোরাকাটা (ফলছিদ্রকারী) পোকা'র আক্রমণ। এসব নানা পরজীবীর পর্যায়ক্রমিক আক্রমণ ঠেকাতে সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন কীট ও ছত্রাকনাশক ব্যবহারে গলদঘর্ম হন। আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, গত ১২ মার্চ থেকে ভোরে কুয়াশার আদলে 'হেজ' দেখা যাচ্ছে। এটা সকাল ৯টা পর্যন্ত বলবত্ থাকছে। গতকাল শুক্রবারও রাজশাহী ছিল পাতলা কুয়াশার আদলে হেজ-এ ঢাকা। এটা কেটে গেলে শুরু হয় মেঘের আনাগোনা। অবশ্য দুপুর নাগাদ আকাশ পরিষ্কার হয়ে কড়া সূর্যতাপ পরিলক্ষিত হয়। আবহাওয়ার এই প্রতিকূলতায় চিন্তিত হয়ে পড়েছেন বৃহত্তর রাজশাহীর আম চাষিরা। সহসাই বৃষ্টিপাত না হলে আমের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন চাষিরা।
এদিকে রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দে র ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আব্দুল আলীম বলেন, অসময়ে কুয়াশার আদলের জলীয় বাষ্প স্থায়ী হলে আমে 'পাউডারে মিলডিউ' দেখা দিতে পারে। এটা আমের জন্য ক্ষতিকর। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনে ফল গবেষণা ও কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে আম গাছে সালফার জাতীয় ছত্রাকনাশক সেপ্র করতে হবে
আনিসুজ্জামান, রাজশাহী অফিস, daily Itttefak
এদিকে প্রতিকূল আবহাওয়ায় ক্ষতির আশঙ্কায় চিন্তিত হয়ে পড়েছেন বৃহত্তর রাজশাহীর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ ও নাটোর) আম চাষিরা। এবার রাজশাহীর প্রায় সাড়ে ৯ হাজার হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
আম উত্পাদনের বাত্সরিক হিসাব অনুযায়ী এবার 'অন ইয়ার (বেশি উত্পাদনের বছর)'। ফলে নতুন-পুরাতন বেশিরভাগ আম গাছে মুকুল এসেছে। কিন্তু আবহাওয়া প্রতিকূল হলে গাছের মুকুল থাকবে না? প্রসঙ্গত, গত বছর প্রতিকূল আবহাওয়ায় (অনাবৃষ্টি ও অত্যধিক খরা) অধিকাংশ গাছের মুকুল ঝরে পড়ে। এরপরও যা অবশিষ্ট ছিল তার বেশিরভাগ নষ্ট হয় 'হপার পোকা'র আক্রমণে। এরপর আসে 'ডোরাকাটা (ফলছিদ্রকারী) পোকা'র আক্রমণ। এসব নানা পরজীবীর পর্যায়ক্রমিক আক্রমণ ঠেকাতে সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন কীট ও ছত্রাকনাশক ব্যবহারে গলদঘর্ম হন। আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, গত ১২ মার্চ থেকে ভোরে কুয়াশার আদলে 'হেজ' দেখা যাচ্ছে। এটা সকাল ৯টা পর্যন্ত বলবত্ থাকছে। গতকাল শুক্রবারও রাজশাহী ছিল পাতলা কুয়াশার আদলে হেজ-এ ঢাকা। এটা কেটে গেলে শুরু হয় মেঘের আনাগোনা। অবশ্য দুপুর নাগাদ আকাশ পরিষ্কার হয়ে কড়া সূর্যতাপ পরিলক্ষিত হয়। আবহাওয়ার এই প্রতিকূলতায় চিন্তিত হয়ে পড়েছেন বৃহত্তর রাজশাহীর আম চাষিরা। সহসাই বৃষ্টিপাত না হলে আমের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন চাষিরা।
এদিকে রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দে র ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আব্দুল আলীম বলেন, অসময়ে কুয়াশার আদলের জলীয় বাষ্প স্থায়ী হলে আমে 'পাউডারে মিলডিউ' দেখা দিতে পারে। এটা আমের জন্য ক্ষতিকর। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনে ফল গবেষণা ও কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে আম গাছে সালফার জাতীয় ছত্রাকনাশক সেপ্র করতে হবে
আনিসুজ্জামান, রাজশাহী অফিস, daily Itttefak







0 comments:
Post a Comment