কৃষক বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে

কৃষিই বাংলাদেশের অথনীতির মুল চালিকা শক্তি । তাই কৃষকদের ন্যায্য মুল্যে সার, ঔষধ ও উন্নতমানের বীজ প্রদান করতে হবে

কৃষিই উ্ন্নতিতেই জাতির প্রকৃত উন্নতি

জনসংখ্যার শতকরা ৮০ ভাগ প্রতক্ষ্য বা পরোক্ষভাবে কৃষির উপর নির্ভরশীল, তাই কৃষকদের উন্নতিই জাতির প্রকৃত উন্নতি।

কৃষকদের তাদের উৎপাদিত ফসলের উচিত মূল্য দিতে হবে

বাংলাদেশের অসহায় কৃষক শুধু কলুর বলদের মত খেটেই চলছে, কখনও বন্যা বা অন্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসলের ব্যপক ক্ষতি হয়, তাও কখনও ন্যর্য মুল্য পায় না।

ফড়িয়া বা দালালদের হাত থেকে কৃষকদের বাঁচাতে হবে

কৃষকদের বাঁচাতে হলে প্রথমতঃই কৃষকদের থেকে তাদের উৎপাদিত পন্য ন্যার্য মুল্যে সরাসরি ক্রয় করতে হবে, যেন তারা মধ্যভোগীদের দৌরাত্ব থেকে বাঁচতে পারে।

কৃষিই বাংলাদের অথনীতির প্রান ভোমরা

দুঃখ জনক হলেও সত্যি যে কৃষিই ব্যপক উৎপাদনই সরকারের কোষাগার স্ফৃত করছে, বিনিময়ে কৃষকরা কিছুই পাচ্ছেনা, বরং অবহেলার স্বীকার হচ্ছে।

Tuesday, August 19, 2014

সমবায়ভিত্তিক বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন

সমবায়ভিত্তিক বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন

 দেশের কৃষি জমির অপচয়রোধ ও পুনরুদ্ধারে সমবায়ভিত্তিক বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। পল্লী জনপদ নামে এই প্রকল্পসহ ৮২৯ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। গতকাল রাজধানীর শের-ই বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন একনেক চেয়ারপার্সন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানান, একনেক সভায় তিনটি প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে  ৮২৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দেবে ৫২০ কোটি টাকা, সংস্থা থেকে ৮৭ কোটি এবং প্রকল্প সাহায্য থেকে আসবে ২২২ কোটি টাকা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, পরিকল্পনা সচিব ভূঁইয়া সফিকুল ইসলাম, আইএমইডি সচিব সুরাইয়া বেগম প্রমুখ।
চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলো হলো-
পল্লী জনপদ প্রকল্প : বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় এক ভাগ জমি হ্রাস পাচ্ছে। এর অন্যতম কারণ আবাসন নির্মাণ। তাই দেশের কৃষি জমির অপচয়রোধ ও পুনরুদ্ধারে ‘পল্লী জনপদ’ নির্মাণ করবে সরকার। ‘কৃষি জমি অপচয়রোধ এবং জৈবসারের ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমবায়ভিত্তিক বহুতল ভবন ‘পল্লী জনপদ’ নির্মাণসংক্রান্ত প্রায়োগিক গবেষণা প্রকল্প’ শিরোনামে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ)। প্রকল্পটির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে জুলাই ২০১৪ থেকে জুন ২০১৭ সাল পর্যন্ত। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪২৪ কোটি টাকা। সরকারিভাবে ৩৬৩ কোটি এবং সুবিধাভোগীদের অনুদান থেকে পাওয়া ৬১ কোটি টাকা দিয়ে এর ব্যয় নির্বাহ করা হবে। পরিকল্পনামন্ত্রী  আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রকল্প সম্পর্কে বলেন, প্রথম অবস্থায় কয়েকটি নির্বাচিত এলাকায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। এতে করে ক্রমবর্ধান জনগোষ্ঠী একদিকে যেমন আবাসন সমস্যা নিরসন হবে- অনদিকে কৃষিভিত্তিক কর্মকা-ও গতি পাবে। একই সঙ্গে প্রকল্পের আওতায় কৃষি জমি পুনরুদ্ধার হবে। প্রথমে ঢাকা, রাজশাহী, বরিশাল, রংপুর ও সিলেট বিভাগে নির্বাচিত এলাকায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, প্রকল্পের আওতায় পল্লী এলাকায় কৃষি জমি সাশ্রয়ের জন্য পোল্ট্রি, গবাদিপ্রাণী, ফসল সংরক্ষণের গুদাম সংবলিত কমপাউন্ড তৈরি করা হবে। একই সঙ্গে পল্লী জনপদে বায়োগ্যাস প্ল্যান্টের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও জৈবসার উৎপাদনসহ উন্নত কৃষি ও পল্লী জীবন ব্যবস্থাপনার নানা উপকরণ থাকবে।
সিদ্ধিরগঞ্জ-মানিকনগর ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন (১ম সংশোধিত) প্রকল্প : সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে বিদ্যুৎ বিভাগের আওতায় পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (পিজিসিবি) বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। প্রকল্পটির মূল প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ৩৯২ কোটি টাকা। সংশোধিত প্রকল্পের ব্যয় কমে দাঁড়িয়েছে  ৩০০ কোটি।  প্রকল্পের মেয়াদ আগস্ট ২০০৯ থেকে জুন ২০১৫ সাল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রকল্পের মাধ্যমে সিদ্ধিরগঞ্জে নির্মাণাধীন ৩৩৫ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট হতে উৎপাদিতব্য বিদ্যুৎ সঞ্চালন, ঢাকা শহরের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর উদ্দেশ্যে বিদ্যমান সঞ্চালন নেটওয়ার্কের ক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ এবং ট্রান্সমিশন লস হ্রাস করা।
প্রকল্পের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে ঢাকাস্থ মানিকনগর পর্যন্ত মোট ১১ কিলোমিটার ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ, মানিকনগরে একটি ২৩০/১৩২ কেভি জিআইএস (গ্রাস ইনসুলেটেড সুইচ গিয়ার) উপকেন্দ্র নির্মাণ এবং সিদ্ধিরগঞ্জে একটি ২৩০/১৩২ কেভি এআইএস (এয়ার ইনসুলেটেড সুইচ গিয়ার) উপকেন্দ্র নির্মাণ।
সম্প্রসারিত তুলা চাষ প্রকল্প : তামাক চাষে আগ্রহী চাষিরা যাতে তামাক চাষ থেকে সরে আসে এবং বস্ত্র শিল্পের উন্নয়ন হয় সেই লক্ষ্যে দেশের ৪৬টি জেলায় ১৪৯টি উপজেলায় তুলা চাষ প্রকল্প শুরু করবে সরকার। প্রকল্পের আওতায় এক লাখ হেক্টর জমিতে তুলা চাষ করে ৭ থেকে ১০ লাখ বেল কাঁচা তুলা উৎপাদন করা হবে। প্রস্তাবিত প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সামর্থ্য ও তুলা চাষের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশে তুলা উৎপাদন বাড়ানো হবে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন তুলা উন্নয়ন বোর্ড ‘সম্প্রসারিত তুলা চাষ (ফেইজ-১)’প্রকল্পটি বাস্তবায়ণ করবে।
প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১০৫ কোটি টাকা। প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল জুলাই ২০১৪ থেকে জুন ২০১৮ সাল নাগাদ। খুলনা বিভাগের যশোর, সাতক্ষীরা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর বাগেরহাট ও খুলনা জেলায় বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথম ধাপে খুলনা জেলাকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে।
সূত্র - দৈনিক ইনকিলাব।

গ্রামের মানুষের ফ্ল্যাটের স্বপ্ন!

গ্রামের মানুষের ফ্ল্যাটের স্বপ্ন!

চমৎকার উদ্দোগ।  সরকারকে ধন্যবাদ দিলেও কম  হবে।  

গ্রামের গরিব মানুষকে আধুনিক নাগরিক সুবিধাসহ ফ্ল্যাট দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শুধু ফ্ল্যাট নয়, থাকবে বাজার, বায়োগ্যাস প্লান্ট, নিরাপদ পানি, সৌরবিদ্যুৎ, গবাদিপশু রাখার স্থান। মোটা দাগে একটি আবাসন কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে, যা পল্লি জনপদ নামে পরিচিত হবে। পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহী বিভাগের সাতটি উপজেলার সাতটি গ্রামে পল্লি জনপদ গড়ে তোলা হবে।

কোন কোন গ্রামে এই পল্লি জনপদ হবে, তা চূড়ান্ত করা হয়নি। মূলত যেসব এলাকায় কৃষিজমি নষ্ট করে ঘরবাড়ি নির্মাণের প্রবণতা বেশি এবং প্রবাসী-আয় তুলনামূলক বেশি আসে, এমন গ্রামই নির্বাচন করা হবে। উল্লেখ্য, সারা দেশে প্রতিবছর গড়ে ১ শতাংশ কৃষিজমি নষ্ট করে বাড়িঘর, কলকারখানা নির্মাণ করা হচ্ছে।

এসব বিষয় বিবেচনায় এনে কৃষিজমি রক্ষার পাশাপাশি গ্রামের দরিদ্র মানুষকে আধুনিক জীবনধারণ সুবিধা দিতে এই পল্লি জনপদ তৈরি করা হবে। একটি পল্লি জনপদে একটি বহুতল ভবনে ২৭২ ফ্ল্যাট থাকবে। যেখানে একসঙ্গে ২৭২টি পরিবার থাকতে পারবে। ৩০ শতাংশ অর্থ অগ্রিম পরিশোধ করে এ ধরনের ফ্ল্যাটের মালিক হতে পারবেন ওই এলাকার মানুষ।

আগামী ২০১৭ সালের জুন মাসের মধ্যে আধুনিক সুবিধাসংবলিত এই সাতটি জনপদ নির্মাণ করা হবে। প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে এই জনপদ তৈরি করা হবে। সফল হলে তা সারা দেশে বিস্তৃত করা হবে।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই প্রকল্পটি পাস করা হয়। এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪২৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির সেন্টার ফর ইরিগেশন অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ফ্ল্যাটগুলোর প্রতি বর্গফুটের মূল্য ধরা হয়েছে এক হাজার ৬০০ টাকা। ৯১৫, ৭১০, ৪৬০ ও ৩৬৫ বর্গফুট—এ ধরনের আয়তনের ফ্ল্যাট হবে। আর প্রাথমিকভাবে ৩০ শতাংশ অর্থ পরিশোধ করে ফ্ল্যাটে উঠতে পারবেন ক্রেতারা। ফ্ল্যাটে ওঠার পর পরবর্তী ১৫ বছরে বাকি অর্থ পরিশোধ করতে হবে। তবে সুবিধাভোগী বা ফ্ল্যাট কিনতে আগ্রহীদের কীভাবে নির্বাচন করা হবে, তা এখনো ঠিক করা হয়নি। এ জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করা হবে। চলতি অর্থবছরে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ১৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

তবে কী পরিমাণ গরিব মানুষের এককালীন ৩০ শতাংশ অর্থ দিয়ে ফ্ল্যাট কেনার সক্ষমতা রয়েছে, তার কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রকল্প প্রস্তাবনায় নেই। উদাহরণ দিয়ে বলা যেতে পারে, সবচেয়ে কম ৩৬৫ বর্গফুট আয়তনের একটি ফ্ল্যাটের মূল্য হবে পাঁচ লাখ ৮৩ হাজার টাকা। এমন একটি ফ্ল্যাট কিনতে আগ্রহীকে এককালীন এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে। এই পরিশোধের সক্ষমতা গ্রামের কত শতাংশ মানুষের রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

বহুলভাবে অভিযোগ রয়েছে, এ ধরনের প্রকল্পের সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনায় স্থানীয় প্রভাবশালী কিংবা তাঁদের আত্মীয়স্বজন ও অনুগতদের নির্বাচন করা হয়। ফলে প্রকল্পের সুফল কাঙ্ক্ষিত জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছায় না। একনেকে অনুমোদিত এই প্রকল্পেও সুবিধাভোগী বা ফ্ল্যাট কিনতে চান এমন ব্যক্তি নির্বাচন করার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর শঙ্কা রয়েছে।

এই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ পেতে হলে আমাকে (পরিকল্পনামন্ত্রী) আরও ৫০ বছর বাঁচতে হবে। সবাই দুর্নীতি করে না, যারা করে তারা সংখ্যায় কম। তাদের নিরুৎসাহিত করতে হবে।’ তিনি জানান, এই প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়নে দুর্নীতির বিষয়ে ন্যূনতম ছাড় দেওয়া হবে না।

অন্যদিকে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এ ধরনের প্রকল্পগুলো ধারণাগতভাবে খুবই ভালো হয়। বাস্তবায়নের সময় নানা সমস্যা বেরিয়ে আসে। তিনি মনে করেন, একনেকে পাস হওয়া এই পাইলট প্রকল্পটির ধারণাও বেশ ভালো। প্রকল্পটি সফল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পাইলট প্রকল্পটি বাস্তবায়ন শেষে একটি সৎ ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠান দিয়ে মূল্যায়ন করা উচিত।

এদিকে গতকালের একনেকে এই প্রকল্পটিসহ ৮২৯ কোটি ৮৫ লাখ টাকার মোট তিনটি প্রকল্প পাস হয়েছে। অন্য প্রকল্প দুটি হলো সিদ্ধিরগঞ্জ-মানিকনগর ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ এবং সম্প্রসারিত তুলা চাষ প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় একনেকের চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন।
সূত্র ঃ প্রথম আলো