কৃষক বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে

কৃষিই বাংলাদেশের অথনীতির মুল চালিকা শক্তি । তাই কৃষকদের ন্যায্য মুল্যে সার, ঔষধ ও উন্নতমানের বীজ প্রদান করতে হবে

কৃষিই উ্ন্নতিতেই জাতির প্রকৃত উন্নতি

জনসংখ্যার শতকরা ৮০ ভাগ প্রতক্ষ্য বা পরোক্ষভাবে কৃষির উপর নির্ভরশীল, তাই কৃষকদের উন্নতিই জাতির প্রকৃত উন্নতি।

কৃষকদের তাদের উৎপাদিত ফসলের উচিত মূল্য দিতে হবে

বাংলাদেশের অসহায় কৃষক শুধু কলুর বলদের মত খেটেই চলছে, কখনও বন্যা বা অন্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসলের ব্যপক ক্ষতি হয়, তাও কখনও ন্যর্য মুল্য পায় না।

ফড়িয়া বা দালালদের হাত থেকে কৃষকদের বাঁচাতে হবে

কৃষকদের বাঁচাতে হলে প্রথমতঃই কৃষকদের থেকে তাদের উৎপাদিত পন্য ন্যার্য মুল্যে সরাসরি ক্রয় করতে হবে, যেন তারা মধ্যভোগীদের দৌরাত্ব থেকে বাঁচতে পারে।

কৃষিই বাংলাদের অথনীতির প্রান ভোমরা

দুঃখ জনক হলেও সত্যি যে কৃষিই ব্যপক উৎপাদনই সরকারের কোষাগার স্ফৃত করছে, বিনিময়ে কৃষকরা কিছুই পাচ্ছেনা, বরং অবহেলার স্বীকার হচ্ছে।

Saturday, November 22, 2014

কৃষির নতুন সম্ভাবনা - আশরাফুল-যূঁথীর জৈব বালাইনাশক

আশরাফুল-যূঁথীর জৈব বালাইনাশক

কীটনাশক ও সার কৃষকের বন্ধু হওয়ারই কথা। কিন্তু উল্টো এটা শত্রু হয়েছে গোটা মানবজাতির। এসবের ব্যবহার পরিবেশ-চক্রে বিপদ ডেকে আনছে। সাময়িকভাবে ফলন ভালো হলেও কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতির। আর এটা কৃষকরা শিখেছেন নিজেদের জীবন থেকে, কোনো বইপুস্তক পড়ে নয়। নিজেদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তাই মাটি, পানি, বাতাস বাঁচানোর যুদ্ধে নেমেছেন তাঁরা। তৈরি করেছেন মাটি ও পরিবেশবান্ধব জৈব বালাইনাশক ও জৈব সার। এসব নিয়ে সন্ধানীর এবারের আয়োজন।
জৈব বালাইনাশক তৈরি করছে আশরাফুল-যুথি দম্পতি। ছবি : ফিরোজ গাজী
¦
লেখাপড়া তাঁরা বেশি করেননি। সম্পদ বলতে প্রায় ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা। এই কৃষক দম্পতি কয়েক ধরনের জৈব বালাইনাশক, ফসলের ভিটামিন ও জৈব সার আবিষ্কার করেছেন। নিজেরা এগুলো ব্যবহার করে ভালো ফলন পেয়েছেন। শুধু তা-ই না, তাঁদের গ্রামের কৃষকরাও এসব ব্যবহার করে বেশি ফসল ঘরে তুলেছেন। কালীগঞ্জ উপজেলার মলি্লকপুর গ্রামে এই দম্পতির বসত। আশরাফুল ইসলামের বয়স পঞ্চান্ন। স্ত্রী যঁূথীর চলি্লশ। নিজেদের তিন বিঘা জমিতে ধানের পাশাপাশি পটল, বেগুন, ঝিঙা, পেঁপেসহ অন্যান্য সবজি চাষ করেন। আশরাফুল জানান, শুরুতে বাজারে চালু রাসায়নিক সার ও কীটনাশকই জমিতে ব্যবহার করতেন। ঘটনাটি ঘটল ২০০৮ সালে। ধান লাগিয়েছেন জমিতে। কিন্তু ভাইরাসে সব ধান নষ্ট হয়ে যায়। বললেন, 'মাথায় বাজ পড়ে। কিভাবে বাঁচব? কী করে খাব? বাবা-দাদারা তো গোবর সার দিয়েই চাষ করেছেন। সে সময় জমিও তরতাজা থাকত। জমি ফেলে রেখে আমি চিন্তা করতে থাকি। রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ছাড়াই ধান চাষ শুরু করি। গাছগাছড়া দিয়ে ফসল ফলাতে থাকি। পাশাপাশি আরো উন্নত জৈব সার ও বালাইনাশক তৈরির চেষ্টা করি। ইচ্ছা আছে সব ধরনের বালাইনাশকের পাশাপাশি ২২ রকম জৈব সার তৈরি করার।'
মলি্লকপুর গ্রামে আশরাফুলের বাড়ি গিয়ে দেখা গেল, বাড়ির পেছনে মাটির নিচে বড় আকারের আটটি মাটির কোলা পোঁতা। ওই সব কোলা থেকে আশরাফুল আর তাঁর স্ত্রী তরল কী সব বের করছেন। অনেকেই বোতলে তা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। বাড়ির অন্য পাশে একটি শেডের নিচে পোকারা ঘুরে বেড়াচ্ছে। বাড়ির পূর্ব পাশে কয়েকটি কবরের মতো কী যেন। সেখানে আশরাফুল কী যেন দেখছেন। আসলে এগুলো কবর নয়। জৈব সার তৈরির প্রাথমিক স্তর। এর নাম কবর কম্পোস্ট। আশরাফুলের আবিষ্কৃত আরেকটি উপাদান হচ্ছে জৈব ভিটামিন। তাঁর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এক কেজি গাঁদা ফুল, এক কেজি দূর্বা, এক কেজি চেনুটেরে, এক কেজি হাতিশুল, দুই কেজি আগুন জ্বালা গাছ আর পরিমাণমতো গরুর চনা দিয়ে এই ভিটামিন তৈরি করা হয়েছে। এই মিশ্রণটি ছয় মাস রাখা যাবে। ফসলে স্প্রে করলে বেশি ফলন হবে। এ ছাড়া তিনি জৈব কীটনাশক উদ্ভাবন করেছেন। ৫০ গ্রাম কেরোসিন, ২০০ গ্রাম তামাক পাতা, ১০০ গ্রাম হুইল পাউডার ও গরুর চনা দিয়ে তৈরি এটি। আশরাফুলের দাবি, এই জৈব কীটনাশক পটল, বেগুন, সিমে স্প্রে করলে সব ধরনের পোকা মরবে। এ ছাড়া তিনি জাবপোকা দমনের জন্য নতুন ওষুধ আবিষ্কার করেছেন। তিনি জানান, ২০ কেজি পানি, ২০০ গ্রাম তামাক পাতা, গরুর চনা, ৫০০ গ্রাম কাঁচা পেঁয়াজ দিয়ে এ ওষুধটি তৈরি করা হয়েছে। তাঁর স্ত্রীও একটি জৈব বালাইনাশক আবিষ্কার করেছেন। যেটির নাম যঁূথী জৈব বালাইনাশক। যঁূথী জানান, ২০টি মেহেগনি ফল, এক কেজি নিমপাতা, এক কেজি নিম ছাল, এক কেজি ভাটির পাতা, ২০০ গ্রাম তামাক ও ২০ কেজি গরুর চনা দিয়ে এই বালাইনাশক তৈরি করা হয়েছে। মাজরা পোকা দমনে এটি খুবই কার্যকর। এ ছাড়া তিনি মাছের আঁইশ দিয়ে ফসল রক্ষার ওষুধ আবিষ্কার করেছেন। এটি ফসলে স্প্রে করলে গরু-ছাগলে খাবে না। এসবের পাশাপাশি যূঁথী আবিষ্কার করেছেন জৈব ফসফেট। আত্মবিশ্বাসী হয়ে বলেছেন, রাসায়নিক ফসফেটের চেয়ে তাঁর উদ্ভাবিত জৈব ফসফেট বেশি কার্যকরী। একধরনের মোটা পোকা স্থানীয় ভাষায় গুবরেপোকা নামে পরিচিত এটিই জৈব ফসফেট তৈরির মেশিন। যূঁথীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একটি হাউজ নির্মাণ করে তার ভেতরে এক স্তর কলাগাছ, এক স্তর গোবর সার দিয়ে ওই পোকা ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই পোকার মলই হচ্ছে জৈব ফসফেট। তিনি জানান, কলাগাছ, শজিনা গাছ কিংবা মরা তালগাছে এই পোকা পাওয়া যায়। হাউজে এই পোকা ছেড়ে দিলে বংশবিস্তার ঘটে। এসবের পাশাপাশি এই কৃষক দম্পতি মসুরের ভুসি, খেসারির ভুসি, দূর্বা, বাঁশের পাতা দিয়ে তৈরি করেছেন কবর কম্পোস্ট সার। তাঁরা জানান, এগুলো এক জায়গায় জড়ো করে কবরের মতো আকৃতি করে মাটি দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। তিন মাস পরই তা সারে পরিণত হবে। এই সার ফসলের জন্য খুবই উপকারী। আর্থিক দিক দিয়ে সাশ্রয়ী। এমনকি এই জৈব সার ফসলের ক্ষেতে তিন-চার বছর ব্যবহার করলে ফসল উৎপাদনের জন্য ক্ষেতে আর কোনো সার দিতে হবে না। আবিষ্কারকরা বললেন, তাঁদের জৈব বালাইনাশক ২০ টাকা লিটার দামে গ্রামের কৃষকরা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। সবাই উপকৃত হচ্ছেন। ওই গ্রামের কৃষক রেজাউল, খাদেম, রজব আলী, মোশারেফ, গফুর, শহীদ জানান, তাঁরা আশরাফুল-যূঁথীর বালাইনাশক ব্যবহার করে ভালো ফল পেয়েছেন। আশরাফুল বলেন, 'অতীতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক বাবদ বছরে আমার ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এখন এ টাকা সাশ্রয়ের পাশাপাশি আমি ফলনও বেশি পাচ্ছি। বিশ্বাস করি, 'আমার বালাইনাশক সার ব্যবহার করলে প্রতিবছর দেশের কোটি কোটি টাকা বাঁচবে। ফসল উৎপাদন বাড়বে। পরিবেশ রক্ষা পাবে। কৃষকরা উপকৃত হবেন। মানবদেহের কোনো ক্ষতি হবে না।'সূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, লিখেছেন ফখরে আলম

এবার বিকল্প ‘হিমাগার’

এবার বিকল্প ‘হিমাগার’

বিদ্যুতের প্রয়োজন নেই। জলীয় বাষ্পের খুব সাধারণ একটি ধর্মকে কাজে লাগিয়ে ঘর ঠান্ডা রাখা হবে। আর বাঁশের তৈরি আরেক ধরনের প্রযুক্তি বাতাসের আর্দ্রতা টেনে শুষে নেবে। এ পদ্ধতিতে এই প্রথম একটি বিকল্প ‘হিমাগার’ তৈরি করা হয়েছে। 
৩০০ টন ধারণক্ষমতার এই হিমাগারটি তৈরিতে ব্যয় হয়েছে মাত্র ১৪ লাখ টাকা। প্রচলিত পদ্ধতিতে এ ধরনের একটি হিমাগার তৈরিতে প্রায় আড়াই কোটি টাকা প্রয়োজন।
 
রাজশাহী নগরের নামোভদ্রা এলাকায় তৈরি করা হয়েছে বিকল্প ‘হিমাগার’। ৩০০ টন ধারণক্ষমতার এই হিমাগার তৈরিতে ব্যয় হয়েছে মাত্র ১৪ লাখ টাকা l ছবি: প্রথম আলো

এটি তৈরি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এম মনজুর হোসেন। এতে অর্থায়ন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ মাসের শেষের দিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের হিমাগারটি উদ্বোধন করার কথা। মনজুর হোসেন জানান, আর কোথাও এ ধরনের হিমাগার নেই। এটা হচ্ছে স্বল্প আয়ের কৃষকের জন্য ব্যয়সাশ্রয়ী পচনশীল শস্য সংরক্ষণাগার। 
তবে অন্তত এক বছর ব্যবহার না করা পর্যন্ত এর উপযোগিতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে না বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
রাজশাহী নগরের নামোভদ্রা এলাকায় হিমাগারটি নির্মাণ করা হয়েছে। ৩ নভেম্বর রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক নিয়ামুল বারি এটি পরিদর্শন করেন। তিনি গ্রিন টেকনোলজি নিয়ে কাজ করেন। এই হিমাগারের সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, এর কাঠামো, ভেতরের তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার পরিমাপ যা দেখা যাচ্ছে তা থেকে আশা করা যায়, এটি প্রাকৃতিকভাবেই কাজ করবে। তবে আরও এক বছর দেখার পর বলা যাবে, এটি হিমাগারের মতো কাজ করবে কি না।
অল্প খরচে সুরক্ষা: এই হিমাগারে কৃষক অল্প খরচে ফসল সংরক্ষণ করতে পারবেন। ৮৫ কেজির এক বস্তা আলু এখন হিমাগারে রাখতে কৃষকের ৩৫০ টাকা লাগে। এই হিমাগারে লাগবে মাত্র ১০০ টাকা। দেশে আদা ও পেঁয়াজের কোনো সংরক্ষণাগার নেই। এ জন্য কৃষকের ঘরে পেঁয়াজ ও আদা ৬০ শতাংশ নষ্ট হয়ে যায়। এই হিমাগারে আদা, পেঁয়াজ ছাড়াও এক মাসের জন্য মরিচ, বেগুন, ফুলকপি ও বাঁধাকপি সংরক্ষণ করা যাবে।
বিকল্প হিমাগারের নকশানির্মাণসামগ্রী: হিমাগারটি তৈরি করতে সময় লেগেছে ছয় মাস। নির্মাণকাজ শুরু হয় গত ২৮ এপ্রিল। ৩০০ টন ধারণক্ষমতার তিনতলাবিশিষ্ট এই হিমাগারের আয়তন এক হাজার ৭০০ বর্গফুট। বাইরের আয়তন ৬০ বাই ৩০ ফুট। আর ভেতরের ৫৮ বাই ২৮ ফুট। তৈরির উপকরণ হচ্ছে বাঁশ, খড়, টালি, বালু ও সিমেন্ট। এর মধ্যে বাঁশ হচ্ছে ৬০ ভাগ। ১২ ভাগ খড় আর বাকি অংশ ইট-বালু-সিমেন্ট। হিমাগারের ছাউনি দেওয়া হয়েছে খড়ের। দেয়াল তৈরি করা হয়েছে ইট দিয়ে। দেয়াল প্লাস্টার না করে তার ওপর টালি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। 
প্রযুক্তিটি কাজ করে যেভাবে: দেয়াল ও টালির মাঝখানে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ জায়গা ফাঁকা রাখা হয়েছে। ফাঁকা অংশে বালু ও পানি থাকবে। এখান থেকে জলীয় বাষ্প তৈরি হবে। এই প্রক্রিয়ায় ঘরের ভেতরের তাপ শোষণ করা হবে।
হিমাগারের ভেতরে তিনতলাবিশিষ্ট বাঁশের মাচা তৈরি করা হয়েছে। ওপরে ওঠার জন্য বাঁশের সিঁড়ি বানানো হয়েছে। নিচতলা থেকে ঠান্ডা বাতাস যাতে প্রাকৃতিক উপায়ে ওপরে উঠে যায়, সে জন্য দেয়ালের নিচের দিকে একটু করে ফাঁকা রাখা হয়েছে। সেখান দিয়ে বাইরের গরম বাতাস ভেতরে ঢুকে প্রাকৃতিকভাবে ঠান্ডা বাতাসকে ঠেলে ওপরে নিয়ে যাবে।
হিমাগারের ভেতরে যাতে অন্ধকার না হয়, সে জন্য তৃতীয় তলার ওপরে দুই পাশে দুটি কাচের জানালা আছে। আর কখনো নিচের ঠান্ডা বাতাস যদি প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ওপরে না ওঠে, সেই ঠান্ডা বাতাস ওপরে তোলার জন্য দুটি ফ্যানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই ফ্যান সোলার প্যানেলের সাহায্যে চালানো হবে। 
পথ প্রদর্শক: এম মনজুর হোসেন জানান, দিনাজপুরের এক ব্যক্তি ভারতে দেখে এসে একটি প্রাকৃতিক হিমাগার তৈরি করেছেন। তাতে মেঝেতে পানি দিয়ে রাখতে হয়। পানির কারণে ঘর যতটুকু ঠান্ডা থাকে, তাতেই যতটুকু কাজ হয়। এটা দেখে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান তাঁকে ডেকে পাঠান। তিনি তাঁকে আধুনিক প্রযুক্তির একটি প্রাকৃতিক হিমাগার তৈরি করতে বলেন। এ জন্য তিনি একটি প্রকল্প প্রস্তাব দিতে বলেন। তিনি ১৪ লাখ টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব পাঠান। এরপর করপোরেট রেসপনসিবিলিটি ফান্ড (সিআরএফ) থেকে ১৪ লাখ টাকা দেওয়া হয়। মনজুর বলেন, প্রথমবার পরীক্ষামূলকভাবে কাজ করার জন্য ব্যয় বেশি হয়েছে। পরেরবার ব্যয় আরও কম হবে। 
ঘরামির বক্তব্য: রাজশাহী নগরের মুশরইল এলাকার মিছের আলী নামের একজন ঘরামি এই কাজ করেছেন। তিনিই খড়ের ছাউনি ও ভেতরের বাঁশের কাজ করেছেন। তিনি বলেন, ছাউনির জন্য চিকন উলুখড় আনা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আর বাঁশ আনা হয়েছে রংপুর থেকে।
সূত্র- আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ, রাজশাহী, দৈনিক প্রথম আলো।