বিষ প্রয়োগ ছাড়াই আম সংরক্ষণ
গাছ
থেকে
আম
সংগ্রহের
পর
৫৫
ডিগ্রি
সেলসিয়াস
তাপমাত্রার গরম পানিতে
সর্বোচ্চ
৫
মিনিট
পর্যন্ত
ডুবিয়ে
রেখে
পরবর্তীতে বাতাসে শুকিয়ে
আম
বাজারজাতকরণের জন্য সংরক্ষণ
সম্ভব
বলে
মনে
করছেন
বিশেষজ্ঞরা।
বৈজ্ঞানিক এ পদ্ধতি অনুসরণ
করলে
কোনো
ধরনের
বিষ
প্রয়োগ
ছাড়াই
সর্বোচ্চ
৭
দিন
পর্যন্ত
আম
সংরক্ষণ
করা
যাবে।
গবেষণায়
এমন
প্রমাণ
পাওয়া
গেছে।
এতে
একদিকে
যেমন
কৃষক
ও
ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন,
অন্যদিকে
ভোক্তার
স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমবে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, আম
সংরক্ষণের জন্য যেসব
প্রিজারভেটিভ (সংরক্ষণের জন্য
কেমিক্যাল) ব্যবহার করা
হয়
তা
স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
কোনো
প্রকার
প্রিজারভেটিভ না দিয়েই
আম
বাজারজাতকরণের জন্য সর্বোচ্চ
৭
দিন
পর্যন্ত
সংরক্ষণ
সম্ভব।
এক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক দুটি
পদ্ধতি
রয়েছে।
তবে
তার
মধ্যে
গরম
পানিতে
শোধন
করা
বেশি
কার্যকরী।
কারণ এক্ষেত্রে কৃষককে অতিরিক্ত খরচ করতে হবে না। রোগ নিয়ন্ত্রণ, আমের গুণাগুণ রক্ষা, সুষ্ঠুভাবে পাকা ও সংরক্ষণশীলতার জন্য ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার গরম পানিতে আম ৫ মিনিট পর্যন্ত ডুবিয়ে রাখতে হবে। তারপর পানি থেকে তুলে বাতাসে শুকাতে হবে।
কারণ এক্ষেত্রে কৃষককে অতিরিক্ত খরচ করতে হবে না। রোগ নিয়ন্ত্রণ, আমের গুণাগুণ রক্ষা, সুষ্ঠুভাবে পাকা ও সংরক্ষণশীলতার জন্য ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার গরম পানিতে আম ৫ মিনিট পর্যন্ত ডুবিয়ে রাখতে হবে। তারপর পানি থেকে তুলে বাতাসে শুকাতে হবে।
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি সম্প্রসারণ ও তথ্য পদ্ধতি
বিভাগের
অধ্যাপক
ড.
সেকেন্দার আলী ইত্তেফাককে বলেন, আম
বাজারজাতকরণ বা সংরক্ষণের জন্য কোনো
ধরনের
প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করার
প্রয়োজন
নাই। ক্রেতাকে আকৃষ্ট
করতে
অসাধু
ব্যবসায়ীরা কার্বাইড দিয়ে
আম
পাকায়।
আবার
সেই
পাকানো
আমের
পচন
রোধ
করার
জন্য
ফরমালিন
প্রয়োগ
করে। দুইবার বিষ
প্রয়োগ
করায়
ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে
যায়। তিনি আরো
বলেন,
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আম
সংরক্ষণ
করতে
হলে
আমের
হারভেস্ট
ইনডেক্স
(আম
পাড়ার
পদ্ধতি)
দেখে
গাছ
থেকে
আম
সংগ্রহ
করতে
হবে। সংগ্রহের পর
পচা,
রোগাক্রান্ত আমগুলো আলাদা
করে
ফেলতে
হবে। একই গাছের
আম
হলে
গ্রেডিং
করার
দরকার
হয়
না। তবে আমের
আকৃতির
উপর
নির্ভর
করে
২
থেকে
৩টা
গ্রেডিং
করা
যেতে
পারে।
তারপর
গরম
পানিতে
তা
শোধন
করতে
হবে
ও
বাতাসে
শুকাতে
হবে
(পূর্বে
উল্লেখিত
পদ্ধতিতে)।
তিনি
আরো
বলেন,
আম
বাজারজাতের জন্য ভালোভাবে
প্যাকিং
করতে
হবে। র্যাপিং করতে
পারলে
ভালো
হয়। যদি র্যাপিং
সম্ভব
না
হয়
তাহলে
এক
স্তর
আমের
উপর
কাগজ
দিয়ে
আরেক
স্তর
আম
রাখতে
হবে। পাত্রের মধ্যে
আম
গাদাগাদি
করে
ঢোকানো
যাবে
না। এভাবে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি মেনে
আম
সংগ্রহ
এবং
বাজারজাত
করলে
সর্বোচ্চ
৭
দিন
পর্যন্ত
তা
সংরক্ষণ
করা
সম্ভব
বলে
জানান
তিনি।
আম
সংরক্ষণের অপর পদ্ধতি
সম্পর্কে
বিশেষজ্ঞরা বলেন, সোডিয়াম
হাইপোক্লোরাইড দ্বারা ধৌতকরণের
মাধ্যমেও
আম
সংরক্ষণ
সম্ভব।
এক্ষেত্রে সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইডের ২০০ পিপিএম
জলীয়
দ্রবণে
আম
৫
মিনিট
ডুবিয়ে
রাখতে
হবে।
এছাড়া
গরম
পানির
সোডিয়াম
হাইপোক্লোরাইড দ্রবণে ধৌতকরণ
পদ্ধতিতে
৫৫
ডিগ্রি
সেলসিয়াল
তাপমাত্রার প্রতি লিটার
পানিতে
৪০
মিলিলিটার হারে বাণিজ্যিক সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইড মেশাতে হবে।
তারপর
দ্রবণের
মধ্যে
আম
সর্বোচ্চ
৫
মিনিট
পর্যন্ত
ভিজিয়ে
রাখতে
হবে।
আম
পাকানোর
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি:
আম পাকানোর
জন্যও
আছে
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ইথিলিন
ছাড়া
অন্য
কোনো
রাসায়নিক
দ্রব্য
দ্বারা
আম
পাকানো
অনুমোদিত
নয়।
দূরের
বাজারে
আম
পাঠাতে
হলে
কৃত্রিমভাবে আম পাকানোর
প্রয়োজন
হলে
সংগৃহীত
আম
ইথিলিন
দিয়ে
পাকানো
সম্ভব।
এক্ষেত্রে বায়ুরোধী ঘরে
আম
রেখে
১০০
পিপিএম
ইথিলিন
গ্যাস
২৫
থেকে
৩১
ডিগ্রি
সেলসিয়াস
তাপমাত্রায় ও ৮৫ থেকে
৯০
শতাংশ
আর্দ্রতায় ২৪ থেকে
৪৮
ঘণ্টা
প্রয়োগ
করতে
হবে।
ইথ্রেন
বা
ইথোফেন
নামে
প্রাপ্য
বাণিজ্যিক ইথিলিনের ২৫০
থেকে
৭৫০
পিপিএম
দ্রবণযুক্ত গরম পানিতে
৫৪
ডিগ্রি
সেলসিয়াস
তাপমাত্রায় আম ৫
মিনিট
ডুবিয়ে
রেখে
তুলে
বাতাসে
শুকাতে
হবে।








0 comments:
Post a Comment