কৃষক বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে
কৃষিই বাংলাদেশের অথনীতির মুল চালিকা শক্তি । তাই কৃষকদের ন্যায্য মুল্যে সার, ঔষধ ও উন্নতমানের বীজ প্রদান করতে হবে
কৃষিই উ্ন্নতিতেই জাতির প্রকৃত উন্নতি
জনসংখ্যার শতকরা ৮০ ভাগ প্রতক্ষ্য বা পরোক্ষভাবে কৃষির উপর নির্ভরশীল, তাই কৃষকদের উন্নতিই জাতির প্রকৃত উন্নতি।
কৃষকদের তাদের উৎপাদিত ফসলের উচিত মূল্য দিতে হবে
বাংলাদেশের অসহায় কৃষক শুধু কলুর বলদের মত খেটেই চলছে, কখনও বন্যা বা অন্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসলের ব্যপক ক্ষতি হয়, তাও কখনও ন্যর্য মুল্য পায় না।
ফড়িয়া বা দালালদের হাত থেকে কৃষকদের বাঁচাতে হবে
কৃষকদের বাঁচাতে হলে প্রথমতঃই কৃষকদের থেকে তাদের উৎপাদিত পন্য ন্যার্য মুল্যে সরাসরি ক্রয় করতে হবে, যেন তারা মধ্যভোগীদের দৌরাত্ব থেকে বাঁচতে পারে।
কৃষিই বাংলাদের অথনীতির প্রান ভোমরা
দুঃখ জনক হলেও সত্যি যে কৃষিই ব্যপক উৎপাদনই সরকারের কোষাগার স্ফৃত করছে, বিনিময়ে কৃষকরা কিছুই পাচ্ছেনা, বরং অবহেলার স্বীকার হচ্ছে।
Friday, July 22, 2016
Wednesday, June 1, 2016
বিষ প্রয়োগ ছাড়াই আম সংরক্ষণ
বিষ প্রয়োগ ছাড়াই আম সংরক্ষণ
গাছ
থেকে
আম
সংগ্রহের
পর
৫৫
ডিগ্রি
সেলসিয়াস
তাপমাত্রার গরম পানিতে
সর্বোচ্চ
৫
মিনিট
পর্যন্ত
ডুবিয়ে
রেখে
পরবর্তীতে বাতাসে শুকিয়ে
আম
বাজারজাতকরণের জন্য সংরক্ষণ
সম্ভব
বলে
মনে
করছেন
বিশেষজ্ঞরা।
বৈজ্ঞানিক এ পদ্ধতি অনুসরণ
করলে
কোনো
ধরনের
বিষ
প্রয়োগ
ছাড়াই
সর্বোচ্চ
৭
দিন
পর্যন্ত
আম
সংরক্ষণ
করা
যাবে।
গবেষণায়
এমন
প্রমাণ
পাওয়া
গেছে।
এতে
একদিকে
যেমন
কৃষক
ও
ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন,
অন্যদিকে
ভোক্তার
স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমবে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, আম
সংরক্ষণের জন্য যেসব
প্রিজারভেটিভ (সংরক্ষণের জন্য
কেমিক্যাল) ব্যবহার করা
হয়
তা
স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
কোনো
প্রকার
প্রিজারভেটিভ না দিয়েই
আম
বাজারজাতকরণের জন্য সর্বোচ্চ
৭
দিন
পর্যন্ত
সংরক্ষণ
সম্ভব।
এক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক দুটি
পদ্ধতি
রয়েছে।
তবে
তার
মধ্যে
গরম
পানিতে
শোধন
করা
বেশি
কার্যকরী।













